মালয়েশিয়া প্রবাসী যুবলীগ নেতা,জহিরুল ইসলাম(জহির)প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি

বরাবর,

বাংলাদেশের প্রাণ, মানবতার মা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

♥হে মমতাময়ীনেত্রী♥,
লিখার শুরুতে আমার সালাম রহিল, আমি সব সময় দোয়া করি আল্লাহ পাক যেন আপনাকে সুস্থ রাখে এবং আপনার দীর্ঘায়ূ কামনা করি কারন আপনি ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে, আপনি প্রায় সতের কোটি মানুষের আস্তা ভালোবাসা যোগিয়েছেন আপনি সকলের নয়নের মনি।

প্রিয় নেত্রী, বর্তমান বাংলাদেশের শুদ্ধি অভিযানকে আমি সাধুবাদ জানাই, আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই এই সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য । বাংলাদেশের ৯৯% জনগণ আপনার এই শুদ্ধি অভিযানের পক্ষে। প্রিয় নেত্রী, আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে আপনি বদ্ধপরিকর, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে আপনি কাজ করে যাচ্ছেন, আপনার সব কিছু ধূলিসাৎ করতে চাচ্ছে এক ধরনের চাটুকাররা ।

জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতির পিতার হাতে গড়া ছাত্রলীগে আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির কিভাবে প্রবেশ করে, কারা তাদের প্রবেশ করিয়েছে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক কোন নেতাদের তদবীরে জামাত ও বিএনপি ছাত্রলীগের প্রবেশ করে, আমার নিজের চোখে দেখা এক ছেলে মঞ্চে মেডাম ও বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছে সেই ছেলে কয়েক দিন পরে দেখি সোহাগ ও জাকিরের দেওয়া কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে চলে আসে তখন আমরা সবাই অবাক হয়ে যাই, কারন আমি জাতির পিতার আদর্শের ছাত্রলীগ করে আসছি এখন বর্তমানে আওয়ামী যুবলীগের একজন কর্মী, বঙ্গবন্ধু ও আপনার একনিষ্ট একজন কর্মী, যখন বাংলাদেশে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেবের ফাঁসির রায় দেওয়া হলো, ঠিক তার পরের দিন বাংলাদেশ হাইকমিশন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ায় হাইকমিশন ঘেরাও করলো বাংলাদেশের আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামী পিয়ার উদ্দীন আকাশের নেতৃত্বে তারা অশ্লীল ভাষায় বঙ্গবন্ধু ও আপনাকে গালাগালি করেছিল সেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ জামাত শিবিরের লোকজন সমাবেত হয়েছিল তখন আমি ছাত্রলীগের কর্মী, খবর পেয়ে সাথে সাথে আমি হাইকমিশনে তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে অন্যায় ও অশ্লীল ভাষার প্রতিবাদ করি কিন্তু আমার আগেই একজন আওয়ামী লীগের লোক সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল তাদের সামনে তিনি কিন্তু প্রতিবাদ করেননি , আমি প্রতিবাদ করায় তারা আমার উপরে সবাই চড়াও হয়ে এক যোগে আক্রমন করে, তখন আমি ছাত্রলীগের কর্মী দেখে সেটার বিচারও পাইনি তারপরও দুইমাস আমার দোকান বন্ধ রাখতে হয় আমি আমার দোকানে পুলিশ ও জামাতের অত্যাচারে বসতে পারি নাই।

প্রিয় নেত্রী, ২০১৪ সালে আপনি যখন মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনায় হোটেল গ্রান্ড হায়াতে উপস্থিত হয়েছিলেন, আপনি মঞ্চে যাওয়ার পূর্ব মূহুর্ত পযর্ন্ত যেই ছেলেটি শ্লোগান ধরে ঘোটা হলকে উজ্জীবিত করেছিল যার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন বাবা অনেক হয়েছে এখন বস আমি সেই ছেলে জহির অনেক কষ্টে এসএসএফ আমাকে থামিয়ে ছিল কারন আপনাকে দেখলেই বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পরে যায়, বঙ্গবন্ধুকে চোখে দেখেনি কিন্তু তার আদর্শকে বুকে ধারন করেছি এবং আপনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর অনেক কিছু খুজে পেয়েছি তাই অনেক অনেক ভালোবাসি বঙ্গবন্ধুকে ও আপনাকে, সেই একজন কর্মী হয়ে যদি দেখি জামাত, বিএনপি, হাইব্রিড ও কাউয়াদের কাছে আমরা পরাজিত হতে যাচ্ছি তখন কথা বলার কোন ভাষা থাকে না নিরবে কান্না ছাড়া। আমরা যারা আপনার কর্মী আছি সবাই ত্যাগে সুখ পাই, ভোগে নয়।

♥হে মমতাময়ী নেত্রী♥
আপনি বলেছিলেন কর্মীরাই আপনাকে ক্ষমতায় এনেছে নেতারা নয় এটাই বাস্তব সত্য নেতারা তাদের আখের ঘুচিয়েছেন, প্রিয় নেত্রী, আপনি ছাড়া আপনার কর্মীদের দেখার ও খোজ খবর নেওয়ার কেউ নেই, এখন সময় এসেছে আপনার তৃণমূল কর্মীদের কাছে নেওয়ার, তৃণমূল কর্মীরা আপনাকে রেখে পালাবে না, কিছু এমপি, মন্ত্রীরা পালাবদল করবে স্বার্থের জন্য আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে পিছন দিয়ে, আপনাকে ক্ষতি করবে কিন্তু আপনার তৃণমূল কর্মীরা কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করবে না, তৃণমূল আপনার পাশে ছিল এবং সব সময় থাকবে । জামাত, হাইব্রিডদের কারনে আপনার তৃণমূল কর্মীরা আপনার কাছে পযর্ন্ত পৌঁছাতে পারে না।প্রিয় নেত্রী, অনেক রাজপথের ত্যাগী ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন অপরাজনীতির শিকার হয়েছে, পঙ্গুত্ব অবস্থায় জীবন যাপন করতেছে, রাজনীতিকভাবে বিভিন্ন মামলা ও হামলায় শিকার হয়ে জীবনের সবকিছু হারিয়েছে, ছাত্রলীগের ছেলেরা চাকরী না পেয়ে, মানবতায় জীবন যাপন করতেছে অনেকেই মৃত্যুর সজ্জায় আছে তারা ইচ্ছা করলেও জীবনে একবার আপনার সাথে দেখা করা তো দূরের কথা একটু অনুদানও পায় না। তৃণমূল নেতা, কর্মীদের আপনার সাথে দেখা করতে হলে বছরের পর বছর ঘুরেও লাখে একজন দেখা করতে পারে না, অনুদান তো দূরের কথা কিন্তু বাংলাদেশের গায়ক, গায়িকা, নায়ক, নায়িকারা জীবন ভর তো সুখ করতেছে তাদের অনেকের টাকার অভাব হয় না তারপরও সামান্য বিপদে পরলে আপনার কাছে অনুদান আনতে চলে যায় এবং লাখ লাখ টাকা অনুদান পায়। তারাই বেশীর ভাগ পোস্টেট বিএনপি তারা খুব দ্রুত আপনার কাছে চলে যেতে পারে কিন্তু আপনার তৃণমূল কর্মীরা আপনার কাছে যাওয়া তো দূরের কথা আপনার আসে পাশে লোকের কাছে যেতে সময় লাগে কয়েক বছর তারপর আপনাকে এক নজর দেখার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে অনেকেই মৃত্যুর লোকে ঢলে পরতে হয় তাদের আর্তনাত দেখার মত কেউ নেই। আপনিই তৃণমূলের মা ও বাবা আপনি ছাড়া তৃণমূলকে দেখার কেউ নেই তাই তৃণমূল কর্মীকে সরাসরি দেখার দায়িত্ব আপনার। আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ হাইব্রিড ও কাউয়াদের কারনে তৃণমূলরা যেন বিলীন হয়ে না যায়।

♥হে মমতাময়ী নেত্রী, মানবতার মা,,♥
বর্তমানে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগসহ সবগুলো কমিটিতে জামাত ও বিএনপি থেকে আশা লোকজন গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে আছে এদের প্রবেশের টিকেট দিয়েছে এমপি, মন্ত্রীরা, কাদের তদবীরে দেওয়া হয়েছে এটা খতিয়ে দেখে তাদের উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাচ্ছি, উদাহরন জে কে শামীম,খালেদ, লোকমান,,, আওয়ামী পরিবারের ত্যাগী কর্মীরা কোন কমিটির সদস্য হতে পারে না কিন্তু টাকার কারনে তদবীরে জামাত ও বিএনপি এদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ পদে চলে আসে।বর্তমানে বাংলাদেশে ছাত্রলীগসহ যারা বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত তাদের ডাটা বের করলে দেখা যায় সবাই অনুপ্রবেশকারী তাই অনুপ্রবেশকারীদের দল থেকে বহিষ্কার ও যারা তাদের প্রবেশের টিকেট দিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি এবং সামনে যেন কোন জামাত, বিএনপিকে দলে না আনতে পারে তাই সমস্ত জেলার সভাপতি, এমপি ও মন্ত্রীদের নির্দেশ দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করলাম। প্রিয় নেত্রী, টাকার বিনিময়ে হাজারো জামাত, বিএনপি লোকজনের চাকরী হয়েছে, কিছু নেতা, এমপি ও মন্ত্রীদের বহাল তদবীরে । ছাত্রলীগের ছেলেরা টাকা দিতে না পারায় অনেকেই মেধাবী হয়েও চাকরী হয়নি।

♥হে মমতাময়ী প্রিয় নেত্রী,♥
বঙ্গবন্ধুর খুবই কাছের লোক ছিল খুনি মোসতাক, বঙ্গবন্ধু তার উপরে অঘাত বিশ্বাস রেখেছিল কিন্তু মীরজাফরের মত বিশ্বাস ভঙ্গ করে হায়ানাদের মত কাজ করেছিল সেই খুনি মোসতাকের গংরা, প্রিয় নেত্রী, মোসতাকও কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল বঙ্গবন্ধুর সাথে তাই আপনার আশে পাশে কয়েকজন মোসতাক আছে তা যদি না হয় তাহলে এয়ারপোর্টে, বিমানের সিকিউরিটি, আপনার সফরসঙ্গী, আপনার কার্যালয়সহ সরকারী বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ পদে জামাত শিবির বহাল থাকে কিভাবে এগুলো আপনার উপদেষ্টার মন্ডলীর কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি করে। জানতে পারলাম যাদের দ্বারা আপনার সরকারের ক্ষতি হচ্ছে এমন লোকজনকেও টাকার বিনিময়ে চাকরীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও উপদেষ্টার তদবীরে তারা চাকরীতে বহাল থাকে। আওয়ামী লীগ পরিবারের থেকে বেশী দূর্নীতিবাজ হচ্ছে সরকারী কর্মকর্তারা, দলীয় নেতাদের সাথে সাথে সরকারী কর্মকর্তাদেরও আইনের আওতায় আনার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনার শুদ্ধি অভিযান যেন সমস্ত দূর্নীতিবাজদের দরজায় নক করা হয় যাতে করে দূর্নীতিবাজদের টনক নরে এবং এই শুদ্ধি অভিযানের পর যেন আর কেউ সাহস করতে না পারে দূর্নীতি করার। তাহলেই সম্ভব হবে জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার।

♥হে মমতাময়ী প্রিয় নেত্রী♥,
আপনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বানী তা ইতিহাস হয়ে থাকবে, আপনি বলেছিলেন আপনাকে ছাড়া সবাইকে টাকা দিয়ে কেনা যায়, কর্মীরাই আপনাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে, বানীগুলো চিরন্তর সত্য। প্রিয় নেত্রী, এখন সময় এসেছে তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের মূল্যয়ন করা, তৃণমূল কর্মী মাঠে নামলে মিনিটের মধ্যে বিলীন হয়ে যাবে বিএনপি, জামাত ও দুর্নীতিবাজরা। বর্তমান বাংলাদেশের হত্যাসহ বিভিন্ন অপকর্মের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী । তারা বিভিন্ন মাধ্যমে দলে প্রবেশ করে আপনার তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের হত্যাসহ দলের বদনাম করতেছে, অনুপ্রবেশকারীরাই আপনার তৃণমূল আওয়ামীলীগ কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে আঘাত করে আর এই অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে কিছু নেতা, এমপি ও মন্ত্রীরা। প্রিয় নেত্রী , আওয়ামীলীগে নেতা ও কর্মীর অভাব নেই, কেন বিএনপি ও জামাতের লোক আওয়ামী লীগে আনতে হবে। কিছু এমপি ও মন্ত্রীরা জামাত ও বিএনপিকে এনে তাদের নিজের দল বারি করার জন্য। যে সমস্ত বিএনপি ও জামাতের লোকজন আপনার সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছিল, বঙ্গবন্ধু ও আপনার ছবি পুড়িয়েছে, ক্লাব ভাংচুর করেছে, অশ্লীল ভাষায় বঙ্গবন্ধু ও আপনাকে গালাগালি করেছে সেই সমস্ত লোকজনকে যদি দেখি ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ ও আওয়ামীলীগের নীতি নিধারক তখন আপনার তৃণমূল কর্মীদের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন গতি নেই। প্রিয় নেত্রী, আপনি যেভাবে দুর্নীতিবাজদের ব্যাপারে শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছেন তদ্রুপ একটা টিম গঠন করে মহানগরসহ বাংলাদেশের সমস্ত থানা, জেলায় শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রেখে দল থেকে জামাত, বিএনপি মত অনুপ্রবেশকারীদের বহিস্কারের দাবি জানাচ্ছি। জামাত, বিএনপি থেকে আশা অনুপ্রবেশকারীরাই আপনার সরকারের বদনাম ও সমস্ত উন্নয়নকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে।প্রিয় নেত্রী, আপনি বলেছিলেন জামাত ও বিএনপি থেকে যারা আওয়ামী লীগের আসবে তাদেরকে কমপক্ষে পাঁচ বছর দলের সাথে কাজ করতে হবে কোন প্রকার পদ পাবে না কিন্তু ইউনিয়ন, থানা, জেলার কিছু নেতারা, এমপি ও মন্ত্রীরা জামাত ও বিএনপি তাদের দলে এনে আপনার তৃণমূল কর্মীদের দল থেকে বাহির করে দেয়। তাদের বিচার করতে হবে যারা জামাত, বিএনপি এর লোকজন এনে সরাসরি নেতা বানিয়েছেন।

♥হে মমতাময়ী নেত্রী♥,
সরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধি অভিযান চালানোর জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি, সরকারী কর্মকর্তারা সবচেয়ে বেশী দুর্নীতিবাজ, তাদের দুর্নীতি বন্ধ হলে বাংলাদেশের চেহারাই পাল্টিয়ে যাবে তাই এখন শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে সকল প্রকার সরকারী প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
প্রিয় নেত্রী, আপনাকে আমরা অনেক ভালোবাসি আপনাকে হারানো অনেক ভয় হয় কারন যখন দেখি ও শুনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জামাতের লোকজন এখনও আছে তাহলে সেখানে তো আপনার কোন নিরাপদ দেখতেছি না, যেমন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে , আপনার কার্যালয়, আপনার সফরসঙ্গীসহ অনেক জায়গায় আওয়ামীলীগের নেতারা স্থান পায় না সেখানে স্থান পায় জামাত ও বিএনপি থেকে আশা সরকারী কর্মকর্তারা। আপনার সফরসঙ্গী সরকারী কর্মকর্তাসহ আপনার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাদের আত্নীয় ও পরিচিত জামাত ও বিএনপি লোকজন হলেও আপনার সাথে যেকোন মূহুর্তে ঢাকাসহ প্রবাসীতে দেখা করতে পারে কিন্তু আপনার তৃণমূল কর্মীরা পারে না কারন তারা তাদের মার্কেট করিয়ে দিবে না এবং নগদ কোন টাকা দিবে না।টাকার কাছে আপনার অনেক এমপি ও মন্ত্রীরা বিক্রি হয়ে যায়, মার্কেট করে দিলে জামাতকে আওয়ামী লীগের সার্টিফিকেট দিয়ে যায়।বিদেশে এমপি ও মন্ত্রীদের বেশীর ভাগ ব্যবসায়ী পার্টনার জামাত ও বিএনপি লোকজন, নেতাদের অবৈধ টাকায় বিদেশে এনে জামাত ও বিএনপিদের ব্যবসা করতে সাহায্য করে, জামাত ও বিএনপি সেই এমপি ও মন্ত্রীদের টাকায় ব্যবসা করে যা টাকা ইনকাম করে তা ব্যবহার করে আপনার সরকারের বিপক্ষে, সরকারকে হটাতে মাঠে নামে ও তৃণমূলকে শেষ করে দিতে তাই তাদের প্রতিও শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে।

♥হে মমতাময়ী নেত্রী♥,
পরিশেষে বলতে চাই কিছু নেতা, এমপি ও মন্ত্রী দ্বারা মামলায় যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীরা জেলে আছে তাদের জেল থেকে বের করা, প্রিয় নেত্রী, সব দিকে নজর রাখবেন যাতে কোন প্রকার চক্রান্তের বলি যেন তৃণমূল কর্মীরা না হয়, তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপারেও বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তৃণমূলকে ধ্বংস করার পায়তারা চলছে। জামাত ও বিএনপি জানে তৃণমূলকে ধ্বংস করতে পারলে আপনার পাশে আওয়ামীলীগের আর কাউকে পাওয়া যাবে না কারন তারা জানে তৃণমূল কর্মীরা আপনাকে বাঁচাতে হাসতে হাসতে জীবন দিয়ে দিতে পারে।তাই প্রিয় নেত্রী, আপনি তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের পাশে টানেন তাদেরকে হাইব্রিড নেতারা অনেক দূরে রেখেছে।সর্বশেষ জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ আপনার পরিবারের যারা ৭৫রে শাহাদাৎ বরন করেছে সকলের বিদেহী আত্মার মারফেরাতের জন্য দোয়া চেয়ে, আপনার সু-স্বাস্থ ও দীর্ঘায়ূ কামনা করে বিদায় নিলাম।যতদিন থাকবে তোমার হাতে দেশ পথ হারাবে না আর বাংলাদেশ।

♥♥জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয়তু শেখ হাসিনা♥ ♥

মোঃ জহিরুল ইসলাম (জহির)
আপনার একনিষ্ট একজন কর্মী
মালয়েশিয়া প্রবাসী,
মোবাইল নং- +60105255851 & +60102751319